Featured Post

ঘরে বসেই ৪ উপায়ে জেনে নিন ভোটার নম্বর ও ভোট কেন্দ্র

Image
  আর মাত্র একদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোট দেওয়ার আগে নিজের ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানা থাকা জরুরি। অনেকেই এনআইডি নম্বরকে ভোটার নম্বর মনে করেন, কিন্তু বাস্তবে এই দুটি আলাদা। ভোটার নম্বর জানা না থাকলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তথ্য খুঁজতে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। নির্বাচন কমিশন ঘরে বসেই ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের তথ্য জানার জন্য কয়েকটি সহজ পদ্ধতি চালু রেখেছে। নিচে চারটি উপায় তুলে ধরা হলো— ১. স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপ প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ অ্যাপ ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। অ্যাপে প্রবেশ করে ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ নির্বাচন করে ‘ভোটকেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিলে ভোটার নম্বর, ক্রমিক নম্বর, কেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা দেখা যাবে। ২. হটলাইন নম্বর ১০৫ যে কোনো ভোটার ১০৫ নম্বরে কল করে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন। অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ প্রেস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত...

টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর কারামুক্ত

 

টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুর রহমান খান জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আজ সোমবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

টাঙ্গাইলের জেল সুপার জানান, গোপালপুর উপজেলায় এক বিএনপি নেতার বাড়িতে ২০০৯ সালে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন সহিদুর রহমান। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে কারাগারে জামিনের আদেশনামা আসে। পরে আজ সকালে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সহিদুরের বাবা আতাউর রহমান খান ও ভাই আমানুর রহমান খান রানা টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য। আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় ৬ বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন সহিদুর। মাঝে দুই দফায় কয়েক সপ্তাহ জামিনে ছিলেন তিনি। গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২৮ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান। গত ১ নভেম্বর টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজিরা দিয়ে যাওয়ার পথে সহিদুরকে আবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে ২০২১ সালে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের ওপর হামলার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০০৯ সালে গোপালপুরে বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ এনে এক বিএনপি নেতা সহিদুরসহ আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের আসামি করে গত নভেম্বরে গোপালপুর থানায় মামলা করা হয়। পরে সহিদুরকে ওই মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সহিদুর কারাগারে থাকাকালে গত ২ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়। ওই মামলা থেকে সহিদুর ও তাঁর অন্য তিন ভাই বেকসুর খালাস পান।

Comments

Popular posts from this blog

শেখ হাসিনার মৃ*ত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা, কে এই বিচারক গোলাম মর্তুজা

স্ত্রীকে না পেয়ে মেয়েকে ধর্ষণ করল সৎ বাবা, অতঃপর মেয়ে যা করলেন